সর্বসাধারণ পারমাণবিক তথ্য কেন্দ্র
সাইটটি বাংলাদেশের পারমাণবিক শিল্প, পারমাণবিক শক্তি এবং বিকিরণ সুরক্ষার সাধারণ নীতিগুলি, প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করার এবং সঠিক উত্তর পাওয়ার সুযোগের পাশাপাশি পাবনা জেলায় শিক্ষামূলক কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করার তথ্য সরবরাহ করে।








আপনি কি জানেন?
পণ্যের প্রক্রিয়াজাতকরণে পারমাণবিক প্রযুক্তির রয়েছে চমৎকার সব সুবিধা!
-পণ্য সম্পূর্ণ নিরাপদ থাকে।
-শক্তিশালী রশ্মি গভীরে পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।
-অল্প সময়ে বিপুল পরিমাণ পণ্য প্রক্রিয়াজাত করা যায়।
-মোড়কের ভেতর থেকেই প্রক্রিয়াজাত করা যায় — পুনরায় দূষণের ঝুঁকি নেই!
-স্বাদ, ঘ্রাণ ও পুষ্টিগুণ অক্ষুণ্ন থাকে — কোনো তাপ বা রাসায়নিক প্রয়োজন হয় না!
পারমাণবিক প্রযুক্তি শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য নয় — এটি শিল্পখাতেও পরিবর্তন আনছে!

আপনি কি জানেন?
প্রেসারাইজড ওয়াটার রিঅ্যাক্টর হলো আজকের দিনে বিশ্বের সবচেয়ে বহুল ব্যবহৃত পারমাণবিক রিঅ্যাক্টর!
-এটি কুল্যান্ট এবং মডারেটর — উভয় ক্ষেত্রেই সাধারণ পানি ব্যবহার করে।
-এর সবচেয়ে বড় সুবিধাগুলোর একটি হলো উচ্চ নিরাপত্তা — এর পৃথক পানির লুপগুলো তেজস্ক্রিয়তা যেন টারবাইন বা পরিবেশে ছড়িয়ে না পড়ে, তা নিশ্চিত করে।
-এটি স্থিতিশীলতা ও নির্ভরযোগ্যতার জন্যও পরিচিত, যার ফলে এটি দীর্ঘমেয়াদি ও বৃহৎ পরিসরের বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য আদর্শ।

আপনি কি জানেন?
পারমাণবিক শক্তি বিদ্যুৎ উৎপাদনের সবচেয়ে দক্ষ ও কম-কার্বন উৎসগুলোর মধ্যে একটি!
এটি পুরো জীবনচক্র জুড়ে সব বিদ্যুৎ কেন্দ্রের তুলনায় সবচেয়ে কম কার্বন নিঃসরণ করে, একইসাথে কম রিসোর্স ব্যবহার করে এবং কম জায়গা দখল করে।
উদাহরণস্বরূপ, সমপরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য সৌরশক্তির তুলনায় পারমাণবিক শক্তিতে ১৭ গুণ কম উপকরণ এবং ৪৬ গুণ কম জায়গার প্রয়োজন হয়।

বিভিন্ন দশকে পারমাণবিক শক্তি:
১৯৭০-এর দশক – বিশ্বব্যাপী পারমাণবিক শক্তির দ্রুত সম্প্রসারণ।
২০২০-এর দশক – স্মল মডুলার রিঅ্যাক্টর (এসএমআর) ও নিউক্লিয়ার ফিউশন গবেষণার ভবিষ্যৎ উন্নয়ন।
(ছবি: সংগৃহীত)

আপনি কি জানেন, প্রেসারাইজড ওয়াটার রিঅ্যাক্টর কীভাবে কাজ করে?
-ইউরেনিয়াম ফুয়েল রড ব্যবহার করে নিউক্লিয়ার ফিশনের মাধ্যমে তাপ উৎপন্ন করা হয়।
-রিঅ্যাক্টরের ভিতরের পানিতে উচ্চচাপ প্রয়োগ করা হয় যাতে ৩২৫°সে তাপমাত্রাতেও সেই পানি না ফুটে।
-ফিশনের মাধ্যমে উৎপন্ন তাপকে একটি সেকেন্ডারি সার্কিটে স্থানান্তরিত করা হয়, যেখানে বাষ্প উৎপন্ন হয়।
-সেই বাষ্প টারবাইন ঘুরিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে।
-বিক্রিয়ার গতি ধীর করতে নেগেটিভ ফিডব্যাক ব্যবহার করা হয় এবং ব্যাকআপ হিসেবে শাটডাউন পদ্ধতিতে বোরন ইনজেকশন প্রয়োগ করা হয়।
