প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করুন
কিছু লিখুন
প্রেরণ করুন
রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি করপোরেশন রোসাটমের সহযোগিতায় ইন্দোনেশিয়ায় প্রথম বিজ্ঞান উৎসব অনুষ্ঠিত
২৮.০৯.২০২৬

রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি করপোরেশন রোসাটম এবং ইন্দোনেশিয়ার ন্যাশনাল রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন এজেন্সি (বিআরআইএন)-এর সহযোগিতায় ইন্দোনেশিয়ায় প্রথম বিজ্ঞান উৎসব ২২ থেকে ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত সেরপংয়ের বাচারুদ্দিন জুসুফ হাবিবি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত হয়েছে। উৎসবটির আয়োজন করে এএনও এনার্জি অব দ্য ফিউচার।

তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে প্রায় ১,২০০ জন স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। উৎসবের মূল বিষয় ছিল আধুনিক পারমাণবিক বিজ্ঞান এবং পারমাণবিক প্রযুক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার। ইন্দোনেশিয়ার ভবিষ্যতে পারমাণবিক প্রযুক্তির সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হয়। এর মধ্যে জ্বালানি, চিকিৎসা, কৃষি, খাদ্য, বৈজ্ঞানিক গবেষণা এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে এর প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা হয়। বিআরআইএন পারমাণবিক ও মহাকাশ গবেষণা বিষয়ক সেশনে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ এবং গবেষণা স্থাপনা পরিদর্শনের বিষয়টিও নিশ্চিত করে।

অংশগ্রহণকারীরা রাশিয়ান ও ইন্দোনেশিয়ার বিজ্ঞানী ও বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার পাশাপাশি বিআরআইএন-এর গবেষণা স্থাপনা পরিদর্শনের সুযোগ পায়। তারা এটমিক চ্যালেঞ্জ, জনপ্রিয় বিজ্ঞানবিষয়ক সেশন এবং দা ভিঞ্চি নিউক্লিয়ার আর্ট সৃজনশীল প্রতিযোগিতার মতো বিভিন্ন ইন্টারঅ্যাকটিভ কার্যক্রমেও অংশগ্রহণ করে। রাশিয়ার মহাকাশচারী নিকোলাই তিখোনভও উৎসব চলাকালে অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

রোসাটমের প্রতিনিধি বলেন, তরুণদের মধ্যে পারমাণবিক প্রযুক্তির প্রতি ক্রমবর্ধমান আগ্রহ বৈজ্ঞানিক বিনিময়, দক্ষতা উন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ বিশেষজ্ঞ তৈরির সুযোগ সৃষ্টি করছে। তিনি উন্নত প্রযুক্তিগুলো সহজবোধ্যভাবে তুলে ধরা এবং তরুণদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট পেশা সম্পর্কে জানতে উৎসাহিত করার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি করপোরেশন রোসাটমের সহযোগিতায় পারমাণবিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উন্নয়নশীল বিভিন্ন দেশে বিজ্ঞান উৎসব অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। বাংলাদেশেও এ বছর একটি বিজ্ঞান উৎসব আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে এবং অনুষ্ঠানটি শিগগিরই অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

ছবি: অ‍্যাটম মিডিয়া