প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করুন
কিছু লিখুন
প্রেরণ করুন
২৮ এপ্রিল রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে জ্বালানি লোডিং শুরু
২৩.০৪.২০২৬

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র- এর প্রথম ইউনিটে আগামী ২৮ এপ্রিল জ্বালানি লোডিং কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হতে যাচ্ছে।

ঢাকার আগারগাঁওয়ে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কমপ্লেক্সে আয়োজিত এক প্রস্তুতি সভা শেষে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ আনোয়ার হোসেন জানান, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং রাশিয়ার প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা শেষে ২৮ এপ্রিল জ্বালানি লোডিং অনুষ্ঠানের তারিখ চূড়ান্ত করা হয়েছে। সভায় রূপপুর প্রকল্পের কর্মকর্তা এবং রোসাটম-এর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

জ্বালানি লোডিং শুরুর মধ্য দিয়ে দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে। জ্বালানি লোডিং শেষে বিদ্যুৎ উৎপাদনের আগে ইউনিটটি বিভিন্ন ধাপের পরীক্ষা-নিরীক্ষার মধ্য দিয়ে যাবে।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোঃ তানভীর মিয়া জানান, প্রথম ইউনিট থেকে আগামী জুলাইয়ের শেষ বা আগস্টের শুরুতে জাতীয় গ্রিডে অন্তত ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যুক্ত হওয়ার আশা করা হচ্ছে। চলতি বছরের শেষ বা আগামী বছরের শুরুতে পূর্ণমাত্রায় বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হতে পারে।

নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড (এনপিসিবিএল)-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মোঃ জাহেদুল হাসান জানান, রিঅ্যাক্টরে পারমাণবিক জ্বালানি লোড করতে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ দিন সময় লাগবে। এরপর ফাইনাল সেফটি অ্যানালাইসিস রিপোর্টের জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ধাপের পরীক্ষা সম্পন্ন করা হবে। সফলভাবে এসব ধাপ শেষ হলে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে এবং ধীরে ধীরে পূর্ণ সক্ষমতায় পৌঁছাবে।

সম্পূর্ণ কমিশনিং প্রক্রিয়া শেষ হতে প্রায় ১০ থেকে ১১ মাস সময় লাগতে পারে।

পাবনার ঈশ্বরদীতে পদ্মা নদীর তীরে নির্মিত রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। রাশিয়ার আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় নির্মিত এ কেন্দ্রে দুটি ভিভিইআর-১২০০ রিঅ্যাক্টর রয়েছে। দুটি ইউনিট পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হলে কেন্দ্রটি মোট ২,৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে, যা দেশের মোট বিদ্যুৎ চাহিদার ১০ শতাংশেরও বেশি পূরণ করবে।

(ছবিঃ https://t.me/rooppur_tube)